ঘটনার বিবরণ: স্থানীয় ও বিহার সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, বুধবার শেষ রাতে বিহারের একটি অংশে হঠাৎ আগুনের শিখা জ্বলতে দেখে স্থানীয় বাসিন্দারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। তাৎক্ষণিকভাবে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। আগুন চারদিকে ছড়িয়ে পড়ার আগেই তা নিভিয়ে ফেলায় বিহারের মূল স্থাপনাটি রক্ষা পায়, তবে বিহারের কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।
এলাকাবাসীর প্রতিক্রিয়া: এই ঘটনার পর থেকে স্থানীয় বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীসহ সাধারণ গ্রামবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। এলাকাবাসী এই ঘটনাকে একটি পরিকল্পিত নাশকতার চেষ্টা হিসেবে অভিহিত করে এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তারা অবিলম্বে দোষীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
পুলিশের পদক্ষেপ: ঘটনার খবর পেয়ে সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন নোয়াপাড়া পুলিশ ক্যাম্পের এসআই মামুন এবং এএসআই সানু মং মার্মা। পরিদর্শনকালে স্থানীয় ইউপি সদস্য দিবস বড়ুয়া তাদের সাথে ছিলেন। পুলিশ কর্মকর্তারা বিহারের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছেন।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত শুরু হয়েছে। দায়ীদের খুঁজে বের করতে পুলিশ তৎপর রয়েছে। ইউপি সদস্য দিবস বড়ুয়া বলেন, "ধর্মীয় উপাসনালয়ে এ ধরনের হামলা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। আমরা প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছি।"
বর্তমানে ওই এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
