সর্বশেষ

বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬

বোয়ালখালীতে প্রজ্ঞা আলো ভাবনা কুঠিরে দুই দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের শুরু কাল

বোয়ালখালীতে প্রজ্ঞা আলো ভাবনা কুঠিরে দুই দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের শুরু কাল

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম | চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার পূর্ব আমুচিয়া গ্রামে অবস্থিত সাধনাপীঠ ‘প্রজ্ঞা আলো ভাবনা কুঠিরে’ আগামীকাল ১৯ ও ২০ মার্চ (বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দুই দিনব্যাপী এক ধর্মীয় পুণ্যোৎসব। পরম কল্যাণমিত্র ভদন্ত শীলানন্দ মহাস্থবিরের (ধুতঙ্গ ভান্তে) পৃষ্ঠপোষকতায় এবং ভদন্ত অপ্রমেয় স্থবিরের পরিচালনায় এই বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। ২য় বারের মতো আয়োজিত এই উৎসবে প্রধান ধর্মদেশক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন আর্যপুরুষ ভদন্ত শীলানন্দ মহাস্থবির।এছাড়াও এই পুণ্যানুষ্ঠানে পূজ্য ভান্তের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের আরণ্যিক আবাসিক ভিক্ষুসংঘ, জনপ্রতিনিধি ও অতিথিবৃন্দসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চল হতে পুণ্যকামী বৌদ্ধ জনসাধারণ উপস্থিত থাকবেন।

উক্ত পুণ্যানুষ্ঠানে আপনি/আপনারা উপস্থিত হয়ে অনুষ্ঠানকে সুন্দর ও সাফল্যমন্ডিত করে বিপুল পুণ্যসঞ্চয়ের মাধ্যমে নির্বাণের হেতু সৃষ্টি করার

অনুষ্ঠানের প্রধান আকর্ষণসমূহ

দুই দিনব্যাপী এই উৎসবের কর্মসূচিতে রয়েছে:

 * বুদ্ধকীর্তন ও ২৮ বুদ্ধ পূজা।

 * ভদন্ত ধুতঙ্গ ভান্তের নবনির্মিত কুটির ও সংঘকুঠির উৎসর্গ।

 * ম্যুরাল চৈত্য উদ্বোধন।

 * অষ্টপরিষ্কার ও কল্পতরু দান।

 * ধুতঙ্গ ভান্তেকে গাড়ি দান অনুষ্ঠান।

সময়সূচী

 * ১৯ মার্চ (বৃহস্পতিবার): দুপুর ২টায় ভদন্ত ধুতঙ্গ ভান্তের শুভাগমন। বিকেলে কুটির ও ম্যুরাল চৈত্য উদ্বোধন এবং সন্ধ্যায় বাংলাদেশ বৌদ্ধ কীর্তনীয়া পরিষদ কর্তৃক ‘বুদ্ধকীর্তন’ পরিবেশনা।

 * ২০ মার্চ (শুক্রবার): সকালে জাতীয় ও ধর্মীয় পতাকা উত্তোলন, পিণ্ডচরণ এবং ২৮ বুদ্ধপূজা। দুপুরে অতিথিদের আপ্যায়ন, মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জ্বলন এবং বিকেলে ধুতঙ্গ ভান্তের বিশেষ ধর্মদেশনা।

আয়োজকদের আহ্বান

আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে এই পুণ্য অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে নির্বাণ লাভের পথে এগিয়ে যেতে সকল পুণ্যকামী বৌদ্ধ জনসাধারণের উপস্থিতি কামনা করা হচ্ছে। অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ভিক্ষু সংঘ ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত থাকবেন।

যাতায়াত: কাপ্তাই রাস্তার মাথা থেকে সিএনজি বা টেম্পু যোগে কানুনগোপাড়া নেমে সেখান থেকে টমটম যোগে রাবার বাগান বা গাগুলা তলা হয়ে সরাসরি পূর্ব আমুচিয়া ‘প্রজ্ঞা আলো ভাবনা কুঠিরে’ পৌঁছানো যাবে।



বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬

রাউজানে বৌদ্ধ বিহারে অগ্নিসংযোগের চেষ্টা: অল্পের জন্য রক্ষা

রাউজানে বৌদ্ধ বিহারে অগ্নিসংযোগের চেষ্টা: অল্পের জন্য রক্ষা

 


রাউজান (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার নোয়াপাড়া ইউনিয়নের আবুরখীল তালুকদার পাড়া সংঘরাজ বিহারে রাতের আঁধারে অগ্নিসংযোগের চেষ্টা চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার (১১ মার্চ) ভোর আনুমানিক ৪টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। তবে স্থানীয় এলাকাবাসীর সাহসিকতা ও দ্রুত পদক্ষেপে বিহারটি বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ড থেকে রক্ষা পেয়েছে।

ঘটনার বিবরণ: স্থানীয় ও বিহার সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, বুধবার শেষ রাতে বিহারের একটি অংশে হঠাৎ আগুনের শিখা জ্বলতে দেখে স্থানীয় বাসিন্দারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। তাৎক্ষণিকভাবে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। আগুন চারদিকে ছড়িয়ে পড়ার আগেই তা নিভিয়ে ফেলায় বিহারের মূল স্থাপনাটি রক্ষা পায়, তবে বিহারের কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।

এলাকাবাসীর প্রতিক্রিয়া: এই ঘটনার পর থেকে স্থানীয় বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীসহ সাধারণ গ্রামবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। এলাকাবাসী এই ঘটনাকে একটি পরিকল্পিত নাশকতার চেষ্টা হিসেবে অভিহিত করে এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তারা অবিলম্বে দোষীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।

পুলিশের পদক্ষেপ: ঘটনার খবর পেয়ে সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন নোয়াপাড়া পুলিশ ক্যাম্পের এসআই মামুন এবং এএসআই সানু মং মার্মা। পরিদর্শনকালে স্থানীয় ইউপি সদস্য দিবস বড়ুয়া তাদের সাথে ছিলেন। পুলিশ কর্মকর্তারা বিহারের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছেন।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত শুরু হয়েছে। দায়ীদের খুঁজে বের করতে পুলিশ তৎপর রয়েছে। ইউপি সদস্য দিবস বড়ুয়া বলেন, "ধর্মীয় উপাসনালয়ে এ ধরনের হামলা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। আমরা প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছি।"

বর্তমানে ওই এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

সম্প্রীতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত: রামুতে বৌদ্ধ ভিক্ষুর উদ্যোগে ১৫০০ রোজাদারকে ইফতার প্রদান

সম্প্রীতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত: রামুতে বৌদ্ধ ভিক্ষুর উদ্যোগে ১৫০০ রোজাদারকে ইফতার প্রদান



নিজস্ব প্রতিবেদক, রামু |

কক্সবাজারের রামুতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক অনন্য নজির স্থাপন করেছেন বৌদ্ধ ভিক্ষু শ্রীমৎ কে শ্রী জ্যোতিসেন মহাথের। গত ১২ বছর ধরে ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে এবারও উপজেলার দেড় হাজার (১,৫০০ জন) দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মুসলিম রোজাদারের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করেছেন তিনি।


অনুষ্ঠানের বিবরণ:

গত বুধবার (১১ মার্চ) বিকেল ৩টায় উপজেলার রাজারকুল ইউনিয়নের জ্যোতিসেন উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গণে এই ইফতার সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। রামুর ঐতিহাসিক রাংকুট বনাশ্রম বৌদ্ধ বিহারের পরিচালক এবং বাংলাদেশ সংঘরাজ ভিক্ষু মহাসভার যুগ্ম মহাসচিব শ্রীমৎ কে শ্রী জ্যোতিসেন মহাথেরের সৌজন্যে এই সহায়তা প্রদান করা হয়।


সম্প্রীতির বার্তা:

ইফতার সামগ্রী বিতরণকালে শ্রীমৎ কে শ্রী জ্যোতিসেন মহাথের বলেন:

"বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। এখানে ধর্মের কোনো ভেদাভেদ নেই। বিহারের চারপাশে অসংখ্য মুসলিম পরিবার আমাদের প্রতিবেশী। মূলত নিম্ন আয়ের মুসলিম প্রতিবেশীদের কথা চিন্তা করেই প্রতিবছর আমরা এই উদ্যোগ নিয়ে থাকি। এ বছর ১২তম বারের মতো আমরা ১৫০০ রোজাদারের মুখে হাসি ফোটানোর চেষ্টা করেছি।"


স্থানীয়দের প্রতিক্রিয়া:

রমজানের এই সময়ে বৌদ্ধ ভিক্ষুর পক্ষ থেকে উপহার স্বরূপ ইফতার সামগ্রী পেয়ে স্থানীয় মুসলিম রোজাদাররা অত্যন্ত সন্তোষ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তারা মনে করেন, এ ধরনের উদ্যোগ সমাজে বিভিন্ন ধর্মের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করবে।

উল্লেখ্য যে, শ্রীমৎ কে শ্রী জ্যোতিসেন মহাথের দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় শিক্ষা ও সমাজসেবামূলক কাজে যুক্ত থেকে সর্বস্তরের মানুষের কাছে এক গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন।


বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬

বাংলাদেশ সংঘরাজ ভিক্ষু মহাসভার নতুন কার্যনির্বাহী পরিষদ (২০২৬-২০৩১) গঠিত

বাংলাদেশ সংঘরাজ ভিক্ষু মহাসভার নতুন কার্যনির্বাহী পরিষদ (২০২৬-২০৩১) গঠিত

 

নিজস্ব প্রতিবেদক | চট্টগ্রাম বাংলাদেশ সংঘরাজ ভিক্ষু মহাসভার সর্বোচ্চ সাংঘিক সংগঠন ‘কারকসভা’ বা কার্যনির্বাহী পরিষদ (২০২৬-২০৩১) গঠনের লক্ষ্যে গত ১০ই মার্চ ২০২৬ এক নির্বাচনী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। চট্টগ্রামের অক্সিজেনস্থ অরন্দিম সার্বজনীন মৈত্রী বিহারে আয়োজিত এই সভায় সর্বসম্মতিক্রমে আগামী পাঁচ বছরের জন্য নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়।

নবগঠিত এই পরিষদে পটিয়ার কর্তলা-বেলখাইন সদ্ধর্মলংকার বিহারের ভদন্ত প্রজ্ঞানন্দ মহাথেরো সভাপতি এবং চট্টগ্রামের চাঁন্দগাও সার্বজনীন শাক্যমুণি বিহারের ভদন্ত এস. লোকজিৎ মহাথেরো মহাসচিব নির্বাচিত হয়েছেন।

কার্যনির্বাহী পরিষদের প্রধান নেতৃবৃন্দ:

 * সভাপতি: ভদন্ত প্রজ্ঞানন্দ মহাথেরো (কর্তলা-বেলখাইন সদ্ধর্মলংকার বিহার, পটিয়া)।

 * মহাসচিব: ভদন্ত এস. লোকজিৎ মহাথেরো (চাঁন্দগাও সার্বজনীন শাক্যমুণি বিহার)।

 * যুগ্ম-মহাসচিব: ভদন্ত কে শ্রী জ্যোতিসেন মহাথেরো (রাং-কূট বনাশ্রম বৌদ্ধ বিহার, রামু)।

 * সাংগঠনিক সচিব: ভদন্ত জিনরতন মহাথেরো (তালসরা আনন্দারাম বিহার, আনোয়ারা)।

 * অর্থ সচিব: ভদন্ত ধর্মপাল মহাথেরো (কুমিল্লা কনকস্তুপ বিহার)।

 * প্রচার ও প্রকাশনা সচিব: ভদন্ত জ্ঞানজিৎ মহাথেরো (বাকখালী সাধনানন্দ বিহার, পটিয়া)।

সভায় উপস্থিত বৌদ্ধ ভিক্ষু ও গুণীজনরা আশা প্রকাশ করেন যে, নবনির্বাচিত এই কার্যকরী পরিষদ বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের ধর্মীয় ও সামাজিক উন্নয়নে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখবে। শান্তি, সম্প্রীতি ও সদ্ধর্মের বাণী প্রসারে এই কমিটি ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবে বলে সভায় প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।


রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২৬

 বৌদ্ধ ঐক্য ফাউন্ডেশন বোয়ালখালী শাখার অভিষেক অনুষ্ঠান ২৩ মার্চ

বৌদ্ধ ঐক্য ফাউন্ডেশন বোয়ালখালী শাখার অভিষেক অনুষ্ঠান ২৩ মার্চ

 

নিজস্ব প্রতিবেদক, বোয়ালখালী: চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায় বাংলাদেশ বৌদ্ধ ঐক্য ফাউন্ডেশনের নবগঠিত উপজেলা শাখার অভিষেক, শিক্ষা সহায়তা ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান আগামী ২৩ মার্চ (সোমবার) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। জ্যৈষ্ঠপুরা সর্বজনীন শান্তিময় বিহার প্রাঙ্গণে সকাল ৯:৩০ মিনিট থেকে এই বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন শুরু হবে।

উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার সদয় সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন চট্টগ্রাম-০৮ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব এরশাদ উল্লাহ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বোয়ালখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব মেহেদী হাসান ফারুক।

অনুষ্ঠানটির শুভ উদ্বোধন করবেন বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি বাবু রুবেল বড়ুয়া হৃদয়। মুখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ বৌদ্ধ ঐক্য ফাউন্ডেশন কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব বাবু সীমাজু বড়ুয়া। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন বোয়ালখালী উপজেলা শাখার সভাপতি বাবু বিকাশ বড়ুয়া।

অনুষ্ঠানে সমাজে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য বেশ কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে সংবর্ধনা প্রদান করা হবে। তাদের মধ্যে রয়েছেন:

  • লায়ন সোহেল বড়ুয়া (চেয়ারম্যান, সূর্য প্রতাপ গ্লোবাল লিমিটেড)
  • সেগুন প্রসাদ বড়ুয়া (উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী, সওজ)
  • প্রকৌশলী শ্যামল বড়ুয়া (অধ্যক্ষ, টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার, রাউজান)
  • সাধক ডালিম বড়ুয়া (প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক, শ্রী শ্রী লোকনাথ বাবা সেবাশ্রম)
  • বাবু শৈবাল বড়ুয়া লোনেট (সাধারণ সম্পাদক, বেদপাড়া নবদ্বীপ মিতালী সংসদ)

অভিষেক, শিক্ষা সহায়তা ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান উদযাপন পরিষদ-২০২৬ এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে এই আয়োজনে সাধারণ সম্পাদক রূপাল বড়ুয়া ,চেয়ারম্যান অসীম বড়ুয়া, সদস্য-সচিব বিপ্লব বড়ুয়া বিভু এবং প্রধান সমন্বয়কারী দেবানন বড়ুয়া দেবু সকল ধর্মপ্রাণ মানুষকে উপস্থিত থাকার জন্য বিনম্র অনুরোধ জানিয়েছেন।অভিষেক, শিক্ষা সহায়তা ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান উদযাপন পরিষদ ২০২৬  কর্তৃক অনুষ্ঠানটি সফল করতে সব ধরণের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হচ্ছে।


শুক্রবার, ৬ মার্চ, ২০২৬

স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন ঢাবির অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া

স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন ঢাবির অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া

 


জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ খালেদা জিয়াসহ ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং ৫টি প্রতিষ্ঠানকে এ বছরের স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আজ বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে দেওয়া সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, বাংলাদেশ সরকার জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং ৫টি প্রতিষ্ঠানকে স্ব স্ব নামের পার্শ্বে উল্লিখিত ক্ষেত্রে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬’ প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

এবার গবেষণা ও প্রশিক্ষণে স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন একুশে পদকপ্রাপ্ত শিক্ষাবিদ, বৌদ্ধতাত্ত্বিক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সুপারনিউমারারি অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া। বর্তমানে ড. সুকোমল বড়ুয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পালি এন্ড বুদ্ধিস্ট স্টাডিজ বিভাগে সুপারনিউমারারি অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। শিক্ষায় অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে ২০০৬ সালে মর্যাদাপূর্ণ একুশে পদকে ভূষিত করেছিল। তিনি ২০১৭ সাল থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।


উখিয়ায়  খাল থেকে স্কুলছাত্র কৌশিক বড়ুয়া'র মরদেহ উদ্ধার

উখিয়ায় খাল থেকে স্কুলছাত্র কৌশিক বড়ুয়া'র মরদেহ উদ্ধার

কক্সবাজারের উখিয়ায় নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ১২ ঘণ্টা পর রেজু খাল থেকে স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ শুক্রবার সকাল, ৭টার দিকে উখিয়ার রেজুরকুল এলাকার রেজুখাল থেকে কৌশিক বড়ুয়া বাঁধন (১৩) নামের ওই কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।নিহত বাঁধন স্থানীয় বাসিন্দা পতন বড়ুয়ার ছেলে।পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ছয়টার পর থেকে বাঁধনের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। ছেলেকে না পেয়ে তার বাবা পতন বড়ুয়া উখিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও নিখোঁজ সংক্রান্ত তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া হয়।

রাত ১০টার দিকে বাঁধনের এক বন্ধু পরিবারের সদস্যদের জানায়, সন্ধ্যার দিকে তারা রেজুখালের মোহনায় একটি বড়ই গাছ থেকে বড়ই পেড়ে খাচ্ছিল। স্থানীয় বাসিন্দা দীপক বড়ুয়া বলেন, ওই সময় কথিত ‘অদৃশ্য শক্তি’র ডাকে বাঁধন খালে পড়ে যায় বলে তার বন্ধু দাবি করে। তবে ভয়ে সে বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে কাউকে জানায়নি।

ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে রাতে খালসংলগ্ন এলাকায় স্থানীয় লোকজন জড়ো হন। নিখোঁজ কিশোরকে খোঁজার পাশাপাশি পাশের একটি বৌদ্ধ বিহারের ভিক্ষু ও স্থানীয় বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা ধর্মীয় রীতিতে প্রার্থনা ও ত্রিপিটক থেকে মন্ত্র পাঠ করেন।

আজ ভোরে খালের পানিতে বাঁধনের মরদেহের অংশ ভাসতে দেখা যায়। পরে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।স্থানীয় এক স্কুলশিক্ষক বলেন, দুর্ঘটনাবশত বা অন্য কোনো কারণে বাঁধন খালে পড়ে মারা যেতে পারে। তবে ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় কুসংস্কার ছড়ানো হচ্ছে। স্থানীয়ভাবে এ ধরনের ঘটনাকে ‘ঢালি নেওয়া’ বলা হলেও এর বাস্তব কোনো প্রমাণ নেই। বিষয়টি পুলিশি তদন্তের মাধ্যমে পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন।এদিকে প্রথম সন্তানকে হারিয়ে শোকে ভেঙে পড়েছেন বাঁধনের বাবা পতন বড়ুয়া ও মা শিখা বড়ুয়া। সন্তানের শোকে কাতর হয়ে মা শিখা বড়ুয়া কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমি কিছুই চাই না, আমার বাঁধনকে ছাড়া। আমার বাঁধনকে এনে দাও।”