swadesh-sangbad লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
swadesh-sangbad লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারি, ২০২৬

ছড়াকার সুকুমার বড়ুয়া আর নেই

ছড়াকার সুকুমার বড়ুয়া আর নেই

 


না ফেরার দেশে চলে গেলেন ছড়াকার সুকুমার বড়ুয়া।আজ (২ জানুয়ারি) শুক্রবার সকাল ৭ টায় চট্টগ্রামের রাউজানস্থ জে কে মেমোরিয়াল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।তিনি ২০০৬ সাল থেকে বাধক্যজনিত নানা রোগে ভুগছিলেন।২০০৬ সালে ব্রেইন স্ট্রোকের পর সুকুমার বড়ুয়ার ডান পা অবশ হয়ে যায়। এর পর থেকেই হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন জটিলতায় ভুগছেন। 

১৯৩৮ সালের ৫ জানুয়ারি চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার মধ্যম বিনাজুরি গ্রামে জন্ম নেন ছড়াকার সুকুমার বড়ুয়া।ষাটের দশকে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী হিসেবে চাকরি জীবন শুরু করেন। ১৯৬৩ সালে তোপখানা রোডে ছয় টাকায় বেড়ার ঘর ভাড়া করে স্বাধীনভাবে লেখালেখি শুরু করেন।কচিকাঁচার আসর, খেলাঘর আর মুকুলের মাহফিলে তার লেখা ছাপা হতে থাকে। ১৯৯৯ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টোর কিপার হিসেবে অবসরে যান।প্রায় ৬০ বছর ধরে ছড়া লিখে সুকুমার বড়ুয়া ‘ছড়ারাজ’, ‘ছড়াশিল্পী’, ‘ছড়াসম্রাট’ ইত্যাদি নানা অভিধায় অভিষিক্ত হয়েছেন। ব্যঙ্গাত্মক, হাস্যরসাত্মক, নৈতিক শিক্ষামূলক রচনার পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আর রাজনৈতিক বার্তাও তার লেখায় এসেছে।

‘পাগলা ঘোড়া’, ‘ভিজে বেড়াল’, ‘চন্দনা রঞ্জনার ছড়া’, ‘এলোপাতাড়ি’, ‘নানা রঙের দিন’, সুকমার বড়ুয়ার ১০১টি ছড়া, ‘চিচিং ফাঁক’, ‘কিছু না কিছু’, ‘প্রিয় ছড়া শতক’, ‘নদীর খেলা’, ছোটদের হাট, মজার পড়া ১০০ ছড়া, সুকুমার বড়ুয়ার ছড়াসম্ভার (২ খণ্ড), ‘যুক্তবর্ণ‘, ‘চন্দনার পাঠশালা’, ‘জীবনের ভেতরে বাইরে’ সুকুমার বড়ুয়ার উল্লেখযোগ্য ছড়ার বই।

ভাষা ও সাহিত্যে বিশেষ অবদানের জন্য সরকার ২০১৭ সালে সুকুমার বড়ুয়াকে একুশে পদকে ভূষিত করে।

এছাড়া বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার, বাংলাদেশ শিশু একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার, আলাওল সাহিত্য পুরস্কার, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব সম্মাননা, অবসর সাহিত্য পুরস্কার, আনন ফাউন্ডেশন আজীবন সম্মাননা, চন্দ্রাবতী শিশুসাহিত্য পুরস্কারসহ অসংখ্য সম্মাননা তিনি পেয়েছেন।

প্রয়াত সংঘরাজ জ্ঞানশ্রী মহাথেরের স্মরণে আজ এবং কাল "জাতীয় অনিত্য সভা ও স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠান

প্রয়াত সংঘরাজ জ্ঞানশ্রী মহাথেরের স্মরণে আজ এবং কাল "জাতীয় অনিত্য সভা ও স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠান


বাংলাদেশী বৌদ্ধদের শতব্দীর প্রাচীন সংগঠন বাংলাদেশ বৌদ্ধ সমিতির আয়োজনে একুশে পদকপ্রাপ্ত, বাংলাদেশী বৌদ্ধদের সর্বোচ্চ ধর্মীয়গুরু, সদ্য প্রয়াত ত্রয়োদশ সংঘরাজ, চট্টগ্রাম বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ ড. জ্ঞানশ্রী মহাথের’র দুই দিনব্যাপী জাতীয় অনিত্য সভা ও স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠান আজ ১ ও আগামীকাল ২ জানুয়ারি ২০২৬,  বৃহস্পতি ও শুক্রবার চট্টগ্রাম মহানগরীর ঐতিহ্যবাহী চট্টগ্রাম কলেজ মাঠে (প্যারেড ময়দান) ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠিত হবে। আজ ১ জানুয়ারি দুপুর ২ টার দিকে  চট্টগ্রাম এম এ আজিজ স্টেডিয়ামে হেলিকপ্টার যোগে ড. জ্ঞানশ্রী মহাথের’র পবিত্র মরদেহ আনা হয় বিনাজুড়ি গ্রাম থেকে।  র‌্যালিটি নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্যারেড মাঠে নবনির্মিত অস্থায়ী আসনে মহাথের’র পবিত্র মরদেহ সংরক্ষণ করা হয়। রাতে পরিবেশিত হবে বুদ্ধ কীর্তন ও স্বেচ্ছাসেবকসহ উপ-পরিষদের দায়িত্ব বন্টন করা হবে। ২ জানুয়ারির অনুষ্ঠান সূচির মধ্যে রয়েছে সকালে জাতীয় ও ধর্মীয় পতাকা উত্তোলন, অষ্টপরিস্কারসহ সংঘদান, বিকালে অনিত্য সভা ও স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন বৌদ্ধ ধর্মীয়গুরু উপসংঘরাজ শিক্ষাবিদ শাসনপ্রিয় মহাথের। আশির্বাদ প্রদান করবেন চতুর্দশ সংঘরাজ ভদন্ত ধর্মপ্রিয় মহাথের। এতে প্রধান অতিথি থাকবেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তি সরকারের ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. আ.ফ. ম. খালিদ হোসেন। সভার উদ্বোধন করবেন- সরকারের পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা। সংবর্ধিত অতিথি থাকবেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডাঃ শাহাদাত হোসেন। স্বাগত ভাষন দেবেন বাংলাদেশ বৌদ্ধ সমিতির চেয়ারম্যান অজিত রঞ্জন বড়ুয়া। বিশেষ অতিথি থাকবেন- চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার ড. মোঃ জিয়াউদ্দীন, চট্টগ্রামের পুলিশ কমিশনার হাসিব আজিজ বিপিএম, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল মিঞা, ভারতীয় দূতাবাসের সহকারী হাই কমিশনার ড. রাজীব রঞ্জন, প্রফেসর ড. সুকোমল বড়ুয়া, প্রফেসর ড. সুমন কান্তি বড়ুয়া. চট্টগ্রাম কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাম্মদ মোজাহেদুল ইসলাম চৌধুরী প্রমূখ।        দুইদিন ব্যাপী অনুষ্ঠানে জাতি, ধর্ম, নির্বিশেষে সকলকে উপস্থিত থাকার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছেন- পূজনীয় ত্রয়োদশ সংঘরাজ ড. জ্ঞানশ্রী মহাথের’র জাতীয় অনিত্য সভা ও স্মৃতিচারণ উদযাপন পরিষদের সভাপতি লায়ন আদর্শ কুমার বড়ুয়া, সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী অসীম বড়ুয়া, প্রধান সমন্বয়কারী সপু বড়ুয়া।

শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৫

রাঙ্গুনিয়ায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে ধুতাঙ্গ ভান্তের ৪৯তম জন্মজয়ন্তী উদযাপন

রাঙ্গুনিয়ায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে ধুতাঙ্গ ভান্তের ৪৯তম জন্মজয়ন্তী উদযাপন

 


নিজস্ব প্রতিবেদক, রাঙ্গুনিয়া রাঙ্গুনিয়া উপজেলার বেতাগী ইউনিয়নের বনাশ্রম ভাবনা কুঠিরে অত্যন্ত ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে শীলানন্দ মহাস্থবিরের (ধুতাঙ্গ ভান্তে) ৪৯তম শুভ জন্মজয়ন্তী। ভূমিদান ও একক সদ্ধর্মদেশনা উপলক্ষে আয়োজিত এই দুই দিনব্যাপী অনুষ্ঠান গতকাল শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) সমাপ্ত হয়েছে।

গতকাল সমাপনী দিনে শুক্রবার ভোর থেকেই অনুষ্ঠানস্থলে ছিল ভক্তদের উপচে পড়া ভিড়। দিনের কর্মসূচীর মধ্যে ছিল ধুতাঙ্গ ভান্তে কর্তৃক ৪৯তম জন্মদিনের কেক কাটা, দায়ক-দায়িকা ও উপাসক-উপাসিকাদের আশীর্বাদ প্রদান এবং ভিক্ষু সংঘের পিন্ডচারণ। এছাড়া মঙ্গলাচরণ, উদ্বোধনী ও বরণ সংগীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। অনুষ্ঠানে দানকৃত ভূমি আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়।

ত্যাগের মহিমায় নির্বাণ লাভের আহ্বান

সদ্ধর্মদেশনা প্রদানকালে শীলানন্দ স্থবির (ধুতাঙ্গ ভান্তে) উপস্থিত ভক্তদের উদ্দেশ্যে ধর্মীয় নীতি ও উপদেশ প্রদান করেন। মৈত্রী বার্তার মাধ্যমে তিনি নির্বাণ লাভের পথ ও অন্তরায় সৃষ্টিকারী বিভিন্ন প্রলোভন (মার) জয় করার বিষয়ে আলোকপাত করেন।

তিনি বলেন:

"নির্বাণ লাভের জন্য বুদ্ধের ত্যাগময় শিক্ষা ধারণ করতে হবে। বুদ্ধের অহিংসা, মুক্তি ও ত্যাগের বাণী এবং নীতি-নৈতিকতার শিক্ষা জীবনে বাস্তবায়ন করাই প্রকৃত ধর্ম।"সেই সাথে বিভিন্ন উদাহরণ দিয়েছে ধর্মদেশনা প্রদান করে।

দেশজুড়ে ভক্তদের মিলনমেলা

দুই দিনব্যাপী এই আয়োজনে রাঙ্গুনিয়া ছাড়াও, চট্টগ্রাম দক্ষিন,উত্তর জেলা, কক্সবাজার, তিন পার্বত্য জেলা, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার হাজার ভক্ত সমবেত হন। ভক্তদের উপস্থিতিতে পুরো এলাকা এক মিলনমেলায় পরিণত হয়। আগত পুণ্যার্থীরা জানান, ভান্তের উপদেশগুলো তারা ব্যক্তিজীবনে ধারণ ও চর্চা করার চেষ্টা করবেন।

বিশ্বজিৎ বড়ুয়া ও লুসি রানী বড়ুয়ার যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন চৌধুরী দীপংকর বড়ুয়া, বিপ্লব বড়ুয়া, পান্না লাল বড়ুয়া, বিমান বড়ুয়া, অঞ্জন বড়ুয়া, পলাশ বড়ুয়া এবং কমল বরন বড়ুয়া প্রমুখ। 

বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৫

চন্দনাইশে বিনয়শীল সোমানন্দ মহাস্থবিরের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া অনুষ্ঠান আগামীকাল

চন্দনাইশে বিনয়শীল সোমানন্দ মহাস্থবিরের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া অনুষ্ঠান আগামীকাল

 


চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার ফতেনগর মহাবোধি চত্বরে আজ বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) থেকে শুরু হয়েছে ফতেনগর সার্বজনীন পূর্ব সুনীতি বিহারের অধ্যক্ষ, বৌদ্ধ ধর্মীয় গুরু বিনয়শীল সোমানন্দ মহাস্থবিরের জাতীয় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া অনুষ্ঠান। দুই দিনব্যাপী এই ধর্মীয় অনুষ্ঠান আগামীকাল ২৬ ডিসেম্বর (শুক্রবার) সমাপ্ত হবে।

আজ দুপুর ১২:৩০ মিনিটে মহাস্থবিরের অনিত্যদেহ ফতেনগর থেকে রথ শোভাযাত্রা ও বুদ্ধকীর্তন সহকারে তাঁর জন্মভূমি সুচিয়া সুখানন্দ বিহারে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে অন্তিম বন্দনা ও বৈকালিক ভেষজ অষ্টপরিষ্কারসহ সংঘদান অনুষ্ঠিত হয়। বিকেল ৩টায় স্মৃতিচারণ সভা ও ব্যাজ প্রদান এবং রাত ৯টায় বিমল বড়ুয়া ও শিক্ষক সুমন বড়ুয়ার পরিবেশনায় বুদ্ধকীর্তন শুরু হয়।

আগামীকাল শুক্রবার অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে সকাল ৭টায় অনিত্যদেহ শোভাযাত্রা সহকারে গ্রাম প্রদক্ষিণ ও সভামণ্ডপে নেওয়া হবে। সকাল ৯টায় শুরু হবে প্রথম পর্যায়ের সদ্ধর্মসভা। দুপুরে ২টা থেকে শুরু হবে দ্বিতীয় পর্যায়ের স্মৃতিচারণ ও সদ্ধর্মসভা।দিনটি প্রধান দুটি পর্বে বিভক্ত, যেখানে দেশের শীর্ষস্থানীয় বৌদ্ধ ভিক্ষু সংঘ এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত থাকবেন।

​১ম পর্ব: সকাল ৯টা (সদ্ধর্মসভা)

​সকাল ৭টায় অনিত্যদেহ শোভাযাত্রা সহকারে গ্রাম প্রদক্ষিণ শেষে সকাল ৯টায় প্রথম পর্বের সদ্ধর্মসভা শুরু হবে। এই পর্বের দায়িত্বে থাকবেন:

  • সভাপতি: সদ্ধর্মনিধি ধর্মদর্শী মহাস্থবির (মাননীয় উপ-সঙ্ঘরাজ, বাংলাদেশ সঙ্ঘরাজ ভিক্ষু মহাসভা)।
  • প্রধান জ্ঞাতি: ভদন্ত শীল রক্ষিত মহাস্থবির (অধ্যক্ষ, জামিজুরী সপ্রমাণ বৌদ্ধ বিহার, চন্দনাইশ)।
  • উদ্বোধক: সদ্ধর্মকথিক অতূলানন্দ মহাস্থবির (অধ্যক্ষ, সুচিয়া সুখানন্দ বিহার, চন্দনাইশ)।
  • মুখ্য ধর্মালোচক: কর্মবীর দেবমিত্র মহাস্থবির (সমাজ কল্যাণ সচিব, বাংলাদেশ সঙ্ঘরাজ ভিক্ষু মহাসভা)।
  • প্রধান সদ্ধর্মদেশক: কে. শ্রী. জ্যোতিসেন মহাস্থবির (পরিচালক, রামু রাঙ্কুট বনাশ্রম- রামু, কক্সবাজার)।
  • প্রধান অতিথি: বাবু অজিত রঞ্জন বড়ুয়া (চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ বৌদ্ধ সমিতি)।
  • বিশেষ অতিথি: লায়ন টিংকু বড়ুয়া (সাধারণ সম্পাদক, পটিয়া সম্মিলিত বৌদ্ধ পরিষদ)।

​২য় পর্ব: দুপুর ২টা (স্মৃতিচারণ ও মূল সদ্ধর্মসভা)

​দুপুরের মূল অধিবেশনে উপস্থিত থাকবেন:

  • সভাপতি: শাসনস্তম্ভ ধর্মপ্রিয় মহাস্থবির (মহামান্য চতুর্দশ সঙ্ঘরাজ, বাংলাদেশ সঙ্ঘরাজ ভিক্ষু মহাসভা)।
  • আশীর্বাদক: সদ্ধর্মবারিধি প্রিয়দর্শী মহাস্থবির ও শাসনভাস্কর শাসনপ্রিয় মহাস্থবির (মাননীয় উপ-সঙ্ঘরাজদ্বয়)।
  • উদ্বোধক: সদ্ধর্মজ্যোতিকা ধ্বজ বসুমিত্র মহাস্থবির (অধ্যক্ষ, শাকপুরা সার্বজনীন তপোবন বিহার)।
  • প্রধান ধর্মদেশক: ড. সঙ্ঘপ্রিয় মহাস্থবির (মহাসচিব, বাংলাদেশ সঙ্ঘরাজ ভিক্ষু মহাসভা)।
  • প্রধান অতিথি: ড. কর্নেল অলি আহমদ, বীর বিক্রম (অব.) (সভাপতি, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি)।
  • প্রধান জ্ঞাতি: প্রফেসর ড. সুকোমল বড়ুয়া (একুশে পদকপ্রাপ্ত বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ)।
  • সংবর্ধিত অতিথি: ডা. শাহাদাত হোসেন (মাননীয় মেয়র, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন)।
  • প্রধান আলোচক: প্রফেসর ড. সুমন কান্তি বড়ুয়া (প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়)।
  • অনুষ্ঠানটি ফতেনগর মহাবোধি চত্বরে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আয়োজক কমিটি তথা ‘বিনয়শীল সোমানন্দ মহাস্থবিরের জাতীয় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া উদযাপন পরিষদ-২০২৫’ সকল পুণ্যার্থীর উপস্থিতি কামনা করেছেন।

  • গত ১৫ জুলাই মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২.৫৫ মিনিটে এ চিকিৎসাধীন অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে বিনয়শীল সোমানন্দ মহাস্থবির শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন


রবিবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০২৫

 ‘অগ্রদূত’ বৌদ্ধ সংগঠনের ৯ম বর্ষপূর্তি উদযাপন সম্পন্ন

‘অগ্রদূত’ বৌদ্ধ সংগঠনের ৯ম বর্ষপূর্তি উদযাপন সম্পন্ন

 



নিজস্ব প্রতিবেদক, বোয়ালখালী:শান্তি, মৈত্রী ও সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য এবং বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয়েছে সামাজিক ও ধর্মীয় সংগঠন ‘অগ্রদূত’-এর ৯ম বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠান। গত শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) চট্টগ্রামের বোয়ালখালীস্থ জ্যৈষ্ঠপুরা অর্হৎ মাহাসি সতিপট্ঠান মহারণ্যে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির মাধ্যমে এই বর্ষপূর্তি উদযাপন করা হয়।

দিনব্যাপী কর্মসূচি:

উৎসবের শুরুতে সংগঠনের সকল সদস্য চট্টগ্রাম নগরীর নন্দনকানন বৌদ্ধ বিহারে সমবেত হন এবং সেখান থেকে জ্যৈষ্ঠপুরার উদ্দেশ্যে রওনা হন। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যবেষ্টিত মহারণ্যে সকালে বুদ্ধ পূজা এবং পূজনীয় ভিক্ষুসংঘের পিণ্ডদানের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এরপর বোয়ালখালীর আমুচিয়া গুচ্ছ গ্রামে সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।

ধর্মীয় সভা ও দেশনা:

অনুষ্ঠানের তৃতীয় পর্বে উদযাপন পরিষদের সমন্বয়কারী ফাগুন বড়ুয়া সংগঠনের ইতিপূর্বের বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরেন এবং অর্থ সচিব অভি বড়ুয়া পঞ্চশীল প্রার্থনা করেন। অনুষ্ঠানে দিকনির্দেশনামূলক ধর্মোপদেশ প্রদান করেন অগ্রদূত বৌদ্ধ সংগঠনের ধর্মীয় সম্পাদক ভিক্ষু আনন্দপ্রিয়।

জ্যৈষ্ঠপুরা অর্হৎ মাহাসি সতিপট্ঠান মহারণ্যের অধ্যক্ষ উ. সুমনশ্রী থের সদ্ধর্ম দেশনা প্রদানকালে সংগঠনের শ্রীবৃদ্ধি কামনা করেন। ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতার শেষে অষ্টপরিষ্কার দান, বুদ্ধ প্রতিবিম্ব দানসহ বিভিন্ন দানসামগ্রী উৎসর্গ করা হয়। পরবর্তীতে পূজনীয় ভান্তেদের উপস্থিতিতে বর্ষপূর্তির কেক কাটা হয়।

উপসংহার:দিনব্যাপী এই আয়োজনের শেষ পর্বে বোয়ালখালী থানার শ্রীপুর-পশ্চিম জ্যৈষ্ঠপুরা গ্রামে অসহায়দের মাঝে পুনরায় শীতবস্ত্র বিতরণের মাধ্যমে কার্যক্রমের সমাপ্তি ঘটে।

উদযাপন পরিষদ:

উল্লেখ্য, বর্ষপূর্তি সফল করতে ৭ সদস্য বিশিষ্ট একটি উদযাপন পরিষদ গঠন করা হয়েছিল। এতে আহ্বায়ক হিসেবে হিমেল বড়ুয়া, সদস্য সচিব রবিন বড়ুয়া, অর্থ সচিব অভি বড়ুয়া, প্রধান সমন্বয়কারী অভিষেক বড়ুয়া, সমন্বয়কারী ফাগুন বড়ুয়া এবং সদস্য হিসেবে রূপনা বড়ুয়া ও ইমন বড়ুয়া গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।


মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২৫

উপসংঘরাজ ভদন্ত ধর্মপ্রিয় মহাস্থবির চতুর্দশতম মহামান্য সংঘরাজ মনোনীত

উপসংঘরাজ ভদন্ত ধর্মপ্রিয় মহাস্থবির চতুর্দশতম মহামান্য সংঘরাজ মনোনীত

বাংলাদেশ সংঘরাজ ভিক্ষু মহাসভার কারক সভার মিটিং এ বিনাজুরী শ্মশান বিহারে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ থেরবাদী সাংঘিক সংগঠন বাংলাদেশ সংঘরাজ ভিক্ষু মহাসভার গঠনতন্ত্র অনুযায়ী মহামান্য সংঘরাজের মহাপ্রয়াণ করার ১৫ দিনের মধ্যে কারকসভা কর্তৃক পরবর্তী সংঘরাজ মনোনীত করা বাধ্যবাধকতা রয়েছে তাই কারকসভা গঠনতন্ত্রের ব্যত্যয় না গঠিয়ে গতকাল ২৪ নভেম্বর পশ্চিম বিনাজুরি শ্মশান বিহারে অনুষ্টিত কারকসভায় বৌদ্ধ রেনেসাঁর অন্যতম বৌদ্ধ গ্রাম পাহাড়তলী মহামুণি মহানন্দ সংঘরাজ বিহারের পূজনীয় অধ্যক্ষ, সংঘরাজ মহাসভার মাননীয় জ্যেষ্ঠ উপ-সংঘরাজ শাসনস্তম্ভ পরমারাধ্য ভদন্ত ধর্মপ্রিয় মহাস্থবির মহোদয় চতুর্দশতম মহামান্য সংঘরাজ মনোনীত হয়েছেন। পরম পূজনীয় ত্রয়োদশ সংঘরাজ অগ্গামহাপণ্ডিত সদ্ধর্মজ্যোতিকাধ্বজ ড. জ্ঞানশ্রী মহাস্থবির মহোদয়ের জাতীয় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার পূর্বরাত্রি সংঘরাজ মহাসভার সাধারণ অধিবেশনে বাংলাদেশী বৌদ্ধদের সর্বোচ্চ ধর্মীয় সংঘ প্রধান ও চতুর্দশ সংঘরাজ পদে অনুমোদন ও অভিষিক্ত হবেন বলে জানা গেছে।

বুধবার, ১৯ নভেম্বর, ২০২৫

মহামান্য সংঘরাজের পেটিকাবদ্ধ এবং ভদন্ত বুদ্ধরত্ন স্হবিরের মহাস্হবির বরণ সম্পন্ন

মহামান্য সংঘরাজের পেটিকাবদ্ধ এবং ভদন্ত বুদ্ধরত্ন স্হবিরের মহাস্হবির বরণ সম্পন্ন

 

বাংলাদেশী বৌদ্ধদের সর্বোচ্চ ধর্মীয় গুরু, বৌদ্ধ বিশ্বের বর্ষীয়ান কিংবদন্তী সংঘ মনীষা, একুশে পদক প্রাপ্ত, অগ্গমহাপণ্ডিত, শাসন শোভন, মহামান্য সংঘরাজ ড. জ্ঞানশ্রী মহাস্থবির মহোদয়ের ১০১ তম জন্ম দিন, তাঁর পবিত্র মরদেহের পেটিকাবদ্ধ অনুষ্ঠান এবং বিনাজুরী শ্মশান বিহারের উপাধ্যক্ষ ভদন্ত বুদ্ধ রত্ন স্হবিরের মহাস্হবির বরণ অনুষ্ঠান গতকাল পশ্চিম বিনাজুরী শ্মশান বিহার সংলগ্ন বিনাজুরী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গণে সারাদিন ব্যাপী যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদায় সুসম্পন্ন হয়।সারাদিন ব্যাপি এই মহা ধর্মসম্মেলনে শত শত বহু প্রজ্ঞা পন্ডিত প্রবর ভিক্ষুসংঘ ও ধর্মপ্রাণ উপাসক উপাসিকা, অতিথিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সারাদিন ব্যাপি অনুষ্ঠান মালায় সকালবেলা প্রয়াত ড. জ্ঞানশ্রী মহাথের স্মরনে সংঘদান,ধর্মালোচনা বিনাজুরী শ্মশান বিহারের উপাধ্যক্ষ ভদন্ত বুদ্ধরত্ন স্থবির এর মহাস্থবির বরণ সম্পন্ন হয় ।সকালবেলার আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপ-সংঘরাজ ও প্রিয়শিষ্য প্রিয়দর্শী মহাস্থবির। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ধর্মসেন মহাস্থবির। মুখ্য আলোচক ছিলেন ড. ধর্মকীর্তি মহাস্থবির, ভদন্ত শাসনানন্দ মহাস্থবির।বিশেষ অতিথি ছিলেন রাউজান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিসান বিন মাজেদ, সহকারী কমিশনার ভূমি অংচিং মারমা।

দিনব্যাপী দুই পর্বের বিকেল বেলার অনুষ্ঠানে উপ-সংঘরাজ শাসনস্তম্ভ ভদন্ত ধর্মপ্রিয় মহাস্থবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের উদ্বোধক ছিলেন বাংলাদেশ সংঘরাজ ভিক্ষু মহাসভার মহাসচিব ড. সংঘপ্রিয় মহাস্থবির । প্রধান সদ্ধর্মদেশক ছিলেন ঢাকা মেরুল বাড্ডা আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ ভদন্ত ধর্মমিত্র মহাস্থবির।উপ-সংঘরাজ ভদন্ত ধর্মদর্শী মহাস্থবির, বাংলাদেশ সংঘরাজ ভিক্ষু মহাসভার সভাপতি ভদন্ত প্রিয়ানন্দ মহাস্থবির, জিনালংকার মহাস্থবির,শীলভদ্র মহাস্থবির, বিনয়পাল মহাস্থবির, জিনানন্দ মহাস্থবির, বোধিপাল মহাস্থবির,

প্রজ্ঞানন্দ মহাস্থবির,বিদর্শচার্য প্রজ্ঞাইন্দ্রিয় স্থবির, প্রিয়ানন্দ মহাস্থবির। প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন রাউজানের সাবেক এমপি ও বিএনপির নেতা গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী।আরো উপস্থিত ছিলো

সাথী উদয় কুসুম বড়য়া,বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি ভবেশ চাকমা, ড. সুকোমল বড়ুয়া,অধ্যাপক ববি বড়ুয়া, সাবেক চেয়ারম্যান নুরুল হুদা, ফিরোজ আহমদ, সাবের সুলতান কাজল, ছোট আজম, প্রমুখ।

পেটিকাবদ্ধ অনুষ্ঠান এবং ভদন্ত বুদ্ধ রত্ন স্হবির'র মহাস্হবির বরণ অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সদ্ধর্মজ্যোতি তিলোকাবংশ মহাস্থবির, প্রান্ত বড়ুয়া,ভদন্ত জিনবংশ মহাস্থবির ও ব্যাংকার সৈকত বড়ুযা।

শুক্রবার, ১৪ নভেম্বর, ২০২৫

বান্দরবানের খাদে পড়ে মোটরসাইকেল আরোহী অজয় বড়ুয়া নিহত

বান্দরবানের খাদে পড়ে মোটরসাইকেল আরোহী অজয় বড়ুয়া নিহত

আজ শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) দুপুরে বান্দরবানের আলীকদম-থানচি সড়কের ১৬ কিলোমিটার দামতোয়ার নামক স্থানে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত অজয় বড়ুয়া চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার চিপু বড়ুয়ার ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অজয় বড়ুয়া মোটরসাইকেল নিয়ে আলীকদম থেকে থানচি যাচ্ছিলেন। দামতোয়ার এলাকায় পৌঁছালে তিনি মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গভীর খাদে পড়ে যান। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে আলীকদম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করলেও কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।আলীকদম স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. মো. হাসান বলেন, “মোটরসাইকেল চালিয়ে আলীকদম থেকে থানচি যাওয়ার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পাহাড়ের গভীর খাদে পড়ে অজয় বড়ুয়া ঘটনাস্থলে মারা যান। মৃত্যুর পর তার মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।”

বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর, ২০২৫

বাংলাদেশী বৌদ্ধদের সর্বোচ্চ ধর্মীয়গুরু, মহামান্য ত্রয়োদশ সংঘরাজ ড. জ্ঞানশ্রী মহাস্থবির আর নেই।

বাংলাদেশী বৌদ্ধদের সর্বোচ্চ ধর্মীয়গুরু, মহামান্য ত্রয়োদশ সংঘরাজ ড. জ্ঞানশ্রী মহাস্থবির আর নেই।

শতবর্ষী সংঘরাজ ড. জ্ঞানশ্রী মহাস্থবির আর নেই। বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে চারটায় নগরের একটি বেসরকারি হাসপাতাল এভারকেয়ারে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। কিংবদন্তি বৌদ্ধ মনীষা, সমাজ সংস্কারক, বহু জনহিতকর প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা একুশে পদকপ্রাপ্ত, বাংলাদেশি বৌদ্ধদের সর্বোচ্চ ধর্মীয় গুরু ছিলেন ড. জ্ঞানশ্রী মহাস্থবির। তাঁর প্রয়াণে শোকের ছায়া নেমে এসেছে বৌদ্ধ সমাজে।

রাউজান উপজেলার পুণ্যভূমি উত্তর গুজরা (ডোমখালী) গ্রামে ১৯২৫ সালের ১৮ নভেম্বর বাবা প্রেম লাল বডুয়া ও মা মেনেকা রাণী বড়ুয়ার ঘর আলোকিত করে জন্ম নিয়েছিলেন লোকনাথ বড়ুয়া। সেদিনের লোকনাথ কিশোর বয়সে মাকে হারিয়ে তাঁর মামা পশ্চিম বিনাজুরী গ্রামের কীর্তিমান সংঘ মনীষা ভদন্ত সারানন্দ মহাস্থবিরের সার্বিক সহযোগিতায় ১৯৪৪ সালে গৌরবদীপ্ত সংঘিক ব্যক্তিত্ব, উপ সংঘরাজ ভদন্ত গুণালঙ্কার মহাস্থবিরের কাছে হাটহাজারীর জোবরা গ্রামে শ্রামণ্য ধর্মে দীক্ষা নেন। পাঁচ বছর পর শ্রামণ্য ধর্মের ইতি টেনে ১৯৪৯ সালে গুরু ভদন্ত গুণালঙ্কার মহাস্থবিরের উপাধ্যায়ত্বে দুর্লভ উপসম্পদা লাভ করেন। উত্তর গুজরা ডোমখালী গ্রামের সেদিনের সেই লোকনাথ আজ বাংলাদেশি বৌদ্ধদের সর্বোচ্চ ধর্মীয় গুরু, বৌদ্ধ বিশ্বের বর্ষীয়ান কিংবদন্তি সাংঘিক ব্যক্তিত্ব, একুশে পদকপ্রাপ্ত সংঘরাজ ড. জ্ঞানশ্রী মহাস্থবির। তাঁর আছে ৮০ বছরের প্রব্রজিত জীবন যেন এক বর্ণাঢ্য ইতিহাস। সুদীর্ঘকাল বৌদ্ধ সমাজ গগনকে তিনি তাঁর মেধা, মনন, প্রজ্ঞা, শ্রম, আত্মত্যাগ, শীল, সমাধি, প্রজ্ঞার আলোয় উদ্ভাসিত করেছিলেন। ত্রয়োদশ সংঘরাজ ড. জ্ঞানশ্রী মহাস্থবিরের জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে-

১. মুবাইছড়ি জ্ঞানোদয় পালি টোল, দীঘিনালা, খাগড়াছড়ি।

২. ধর্মোদয় পালি টোল ও দশবল রাজ বিহার, দীঘিনালা, খাগড়াছড়ি।

৩. ত্রিপিটক প্রচার বোর্ড গঠন (মহামান্য ৮ম সংঘরাজ ভদন্ত শীলালংকার মহাথেরো মহোদয়ের যৌথ প্রয়াসে)

৪. মনোঘর অনাথ আশ্রম, ভেদভেদি, রাঙামাটি।

৫. চন্দ্রঘোনা জ্ঞানশ্রী শিশু সদন, বড়ইছড়ি, কাপ্তাই।

৬. কদলপুর অনাথ আশ্রম ও ভিক্ষু ট্রেনিং সেন্টার, রাউজান, চট্টগ্র্রাম।

৭. সংঘরাজ ভিক্ষু মহামণ্ডল ধর্মীয় শিক্ষা পরিষদ।

৮. ত্রৈমাসিক ধর্মায়তন পত্রিকা (সংঘরাজ ভিক্ষু মহামন্ডল ধর্মীয় শিক্ষা পরিষদের মুখপত্র)।

৯. জোবরা গুণালংকার বৌদ্ধ অনাথালয়, হাটহাজারী, চট্টগ্রাম।

১০. পশ্চিম বিনাজুরী ধর্মকথিক অনাথ আশ্রম, বিনাজুরী, রাউজান, চট্টগ্রাম।

১১. পশ্চিম বিনাজুরী উচ্চ বিদ্যালয়, বিনাজুরী, রাউজান, চট্টগ্রাম।

১২. গুইমারা দেওয়ান পাড়া ড. জ্ঞানশ্রী বুদ্ধ বিহার, মাটিরাঙা, খাগড়াছড়ি।

১৩. গুইমারা দেওয়ান পাড়া ড. জ্ঞানশ্রী নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মাটিরাঙা, খাগড়াছড়ি।

১৪. গুইমারা দেওয়ান পাড়া অনাথ আশ্রম, মাটিরাঙা, খাগড়াছড়ি।

১৫. উচাই সূর্যাপুর জ্ঞানশ্রী বৌদ্ধ বিহার, পাঁচবিবি, জয়পুরহাট।

১৬. উচাই উপ সংঘরাজ ড. জ্ঞানশ্রী নৃ-তাত্ত্বিক উচ্চ বিদ্যালয়, পাঁচবিবি, জয়পুরহাট।

১৭. নূরপুর জ্ঞানশ্রী বৌদ্ধ বিহার, পাঁচবিবি, জয়পুরহাট।

১৮. বারকান্দি সংঘরাজ ড. জ্ঞানশ্রী সার্বজনীন বৌদ্ধ বিহার, পাঁচবিবি, জয়পুরহাট।

১৯. সংঘরাজ ড. জ্ঞানশ্রী আন্তর্জাতিক বিদর্শন ভাবনা কেন্দ্র, পশ্চিম বিনাজুরী, রাউজান।

২০. বাংলাদেশ বুদ্ধ শাসন কল্যাণ ট্রাস্ট ।

২১. বান্দরবান উজিপাড়া ড. জ্ঞানশ্রী বৌদ্ধ বিহার।

২২. নানিয়ারছড় দ্বিচান পাড়া ড. জ্ঞানশ্রী সাধনা বৌদ্ধ বিহার।

২৩. সংঘরাজ ড. জ্ঞানশ্রী বৃদ্ধাশ্রম, পশ্চিম বিনাজুরী।

২৪. জ্ঞানশ্রী প্রভাতি পালিটোল, উত্তর গুজরা, ডোমখালী, রাউজান।

ড. জ্ঞানশ্রী মহাস্থবির অনেক সম্মাননা লাভ করেছেন। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে-

১৯৮১ সালে থাইল্যান্ড থেকে শাসনশোভন জ্ঞানভানক উপাধি লাভ। ২০০১ সালে বাংলাদেশ সংঘরাজ ভিক্ষু মহাসভা কর্তৃক 'বিনয়াচার্য' উপাধি লাভ। ২০০৪ সালে বাংলাদেশ সংঘরাজ ভিক্ষু মহাসভা কর্তৃক 'উপ সংঘরাজ স্বীকৃতি লাভ। ২০০৬ সালে বার্মা সরকার কর্তৃক মহাসম্মজ্যোতিকাধ্বজ উপাধি লাভ। ২০০৭ সালে থাইল্যান্ডের মহাচুল্লালংকার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্মান সূচক ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ। ২০০৮ সালে বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘ থেকে স্বর্ণপদক ও উপাধি লাভ। ২০১৭ সালে বাংলাদেশ বৌদ্ধ সমিতি কর্তৃক পুণ্যাচার-উ, গুণমেজু স্বর্ণপদক লাভ। WFBY থাইল্যান্ড কর্তৃক আউট স্ট্যান্ডিং অ্যাওয়ার্ড লাভ ২০১৪ সাল। ২০২০ সালের ২০ মে সংঘরাজ ভিক্ষু সহাসভার সর্বোচ্চ সম্মাননা মহামান্য ‘সংঘরাজ’ নির্বাচিত হন।

২০২২ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি সমাজসেবায় বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ‘একুশে পদকে’ ভূষিত হন। ২০২৩ সালে বার্মা সরকার কর্তৃক ‘অগ্রমহাণ্ডিত’ উপাধি লাভ। ২০২৪ সালে ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন অব বাংলাদেশি বুড্ডিস্ট কর্তৃক সম্মাননা ও সংবর্ধনা লাভ করেন। 

সংঘরাজ ড. জ্ঞানশ্রী মহাথেরোর একান্ত চিকিৎসক ও বৌদ্ধ গবেষক প্রফেসর ডা. প্রভাত চন্দ্র বড়ুয়া বলেন, আমাদের কিংবদন্তী বৌদ্ধ মনীষা ও সর্বোচ্চ ধর্মীয়গুরু প্রয়াত সংঘরাজ ড. জ্ঞানশ্রী মহাথেরো ভান্তের মরদেহ রাউজানের বিনাজুরী শ্মশান বিহারে নিয়ে যাওয়া হবে আজ রাতে। শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) ভেষজ প্রক্রিয়ায় লাশ সংরক্ষণ করে রাখা হবে।

শুক্রবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৫

রাঙামাটিতে হাসপাতাল থেকে সিনিয়র স্টাফ নার্স সাথী বড়ুয়ার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

রাঙামাটিতে হাসপাতাল থেকে সিনিয়র স্টাফ নার্স সাথী বড়ুয়ার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার


রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতাল থেকে হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স সাথী বড়ুয়ার (৩৭) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল শুক্রবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে হাসপাতালের নার্সেস চেঞ্জিং রুম থেকে ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

জানা গেছে, সাথী বড়ুয়া (৩৭) রাঙামাটি জেলা শহরের ৮ নম্বর ওয়ার্ড দেবাশীষ নগর এলাকার সুমন বড়ুয়ার স্ত্রী। সাথী বড়ুয়ার দুই কন্যা সন্তান রয়েছে। তিনি রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালে সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ঘটনার রাতের দিন (বৃহস্পতিবার) রাতেও ডিউটিতে ছিলেন।হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, রাতের ডিউটি শেষে শুক্রবার সকালেও সহকর্মীদের সঙ্গে গল্প করেন সাথী বড়ুয়া। সেখানে তিনি নিজের অসুস্থতার কথা বলেন। এরপর নার্সেস চেঞ্জিং রুমে (পোশাক পরিবর্তন কক্ষ) যান সাথী বড়ুয়া। কিছুক্ষণ ধরে দরজা বন্ধ থাকায় সহকর্মীরা গিয়ে তাকে জানালার সঙ্গে দড়িতে ঝুলতে দেখেন।

এ ঘটনার পর দুপুরে রাঙামাটির কোতোয়ালি থানা পুলিশ সাথী বড়ুয়ার মরদেহ উদ্ধার করে হাসপাতালের মর্গে রেখেছে। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। হাসপাতালের নার্সেস চেঞ্জিং রুম থেকে ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা গেলেও সাথীর মৃত্যু নিয়ে ধোঁয়াশা উঠেছে। এটি নিছক আত্মহত্যা নাকি ভিন্ন কিছু? সেটি জানা যাবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে; এমনটাই জানিয়েছেন সিভিল সার্জন।

রাঙামাটির কোতোয়ালি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মোস্তফা কামাল জানান, আমরা মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রেখেছি। সাথী বড়ুয়ার মরদেহ উদ্ধারের সময় জানালার সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় ছিল।রাঙামাটির সিভিল সার্জন ড. নূয়েন খীসা বলেন, সাথী বড়ুয়া গতকাল (বৃহস্পতিবার) রাতেও নাইট ডিউটি করেছেন।শুক্রবার সকালে সহকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে শরীর খারাপ লাগছে এসব কথা বলেছেন। এরপর নার্সেস চেঞ্জিং রুমে ঢোকার কিছুক্ষণ পর এমন ঘটনা ঘটলো। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলেই মনে হচ্ছে। মরদেহের ময়নাতদন্ত করা হচ্ছে; ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে কিছু ক্লু থাকতে পারে। তখন আসলে নিশ্চিতভাবে বলা যাবে এটি আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনো কারণ রয়েছে।


শনিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৫

বোয়ালখালীর জ্যৈষ্ঠপুরা বড়ুয়া পাড়ায় গ্রিল কেটে দুর্ধর্ষ চুরি

বোয়ালখালীর জ্যৈষ্ঠপুরা বড়ুয়া পাড়ায় গ্রিল কেটে দুর্ধর্ষ চুরি


চট্টগ্রামের বোয়ালখালীর জ্যৈষ্ঠপুরা বড়ুয়াপাড়ায় বসতঘরের গ্রিল কেটে নগদ ৪ লাখ টাকাসহ স্বর্ণের ৪ ভরি ওজনের গয়না এবং মূল্যবান সামগ্রী চুরি করে নিয়ে গেছে।

বোয়ালখালী উপজেলার শ্রীপুর-খরণদ্বীপ ইউনিয়নের ৮ নাম্বার ওয়ার্ডের জ্যৈষ্ঠপুরা বড়ুয়া পাড়া গ্রামের বাসিন্দা খোকন বড়ুয়ার বাড়িতে এই চুরির ঘটনা ঘটে। গতকাল শনিবার ১৭ অক্টোবর দুপুরের সময় ঘর তালাবদ্ধ করে স্ব-পরিবারে পার্শ্ববর্তী গ্রাম শ্রীপুর-আমুচিয়া বোধিসত্ত্ব বিহারের কঠিন চীবরদানের অনুষ্ঠানে গিয়েছিলো। রাতে বাড়ি ফিরে দেখে দরজার তালা ভাঙা। চোরের দল ৩টি আলমিরা ভেঙে নগদ ৪ লাখ টাকা, ৪ভরি স্বর্ণের গয়না ও মূল্যবান সামগ্রী নিয়ে যায়। চোরেরা বসত ঘরের বারান্দার গ্রিল কেটে বসত ঘরে ঢুকেছে।

এ ঘটনায় খোকন বড়ুয়া বোয়ালখালী থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।

বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৫

ফ্রান্সে অশোক বড়ুয়ার করুণ মৃত্যু

ফ্রান্সে অশোক বড়ুয়ার করুণ মৃত্যু

 


ফ্রান্স প্রবাসী কক্সবাজার জেলার উখিয়া থানার অন্তর্গত শৈলেরডেবা গ্রাম নিবাসী অশোক বড়ুয়া হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে অকালে মৃত্যু বরণ করেছেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি বিভিন্ন শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন। আনুমানিক বিগত ৭ই অক্টোবর ২০২৫ ইং তারিখে ৪৮ বছর বয়সে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।তার মৃত্যুটা অন্য আট দশটা মৃত্যুর মতো স্বাভাবিক মৃত্য নয় । তিনি লাকর্ণবে রাস্তার পাশে ঝুপরি ঘর বানিয়ে বসবাস করতেন, এটা প্রবাসীদের জন্য অত্যন্ত লজ্জ্বাজনক বিষয়।অবহেলা জনিত কারনেই তার মৃত্যু হয়েছে বলে মনে করেন তার স্বজনরা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যেমে অনেকেই দুঃখ প্রকাশ করেছেন, তারা বলেন নীজ এলাকার মানুষদের খোজ খবর নেয়া তাদের বিপদে পাশে থাকা এটা সামাজিক দায়িত্ব আমরা কিছুতেই এই দায়িত্ব অবহেলা করতে পারি না।

মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৫

 জ্যৈষ্ঠপুরায় শতবর্ষী বোধিবৃক্ষ ও বুদ্ধ মূর্তির চীবর পুড়ানোর ঘটনায় এক যুবককে আটক

জ্যৈষ্ঠপুরায় শতবর্ষী বোধিবৃক্ষ ও বুদ্ধ মূর্তির চীবর পুড়ানোর ঘটনায় এক যুবককে আটক

 


বোয়ালখালীর জ্যৈষ্ঠপুরা কেন্দ্রীয় বৈশালী বিহারের শতবর্ষী বোধিবৃক্ষ ও বুদ্ধ মূর্তির চীবর (কাপড়) পুড়ানোর ঘটনায় মো: রহিম (২৭) নামের এক যুবককে আটক করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। মঙ্গলবার ভোরে উপজেলার শ্রীপুর-খরন্দ্বীপ ইউনিয়নের জ্যৈষ্ঠপুরা এলাকার এই ঘটনা ঘটে।

আটককৃত মো: রহিম উপজেলার খরনদ্বীপ এলাকার সন্দীপাড়ার রবিউল হকের ছেলে

বোয়ালখালী সম্মিলিত বৌদ্ধ পরিষদের সভাপতি প্রকৌশলী জয় সেন বড়ুয়া বলেন, ভোর ৫ টার দিকে দুর্বৃত্তরা এ ঘটনা ঘটিয়ে পালিয়ে গেছে। বিষয়টি জানতে পেয়ে বিহারে গিয়ে দেখি বোধিবৃক্ষের কাপড় ও বুদ্ধমূর্তির চীবর খুলে আলাদা করে পুড়িয়ে দিয়েছে।

স্থানীয় প্যানেল চেয়ারম্যান মো. হাসান বলেন, খবর পেয়ে আমি দ্রুত সেখানে গেয়েছি। আইনের মাধ্যমে বিষয়টি তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উন্মোচন হোক সেটা আমি চাই এবং মুসলিম, হিন্দু ও বৌদ্ধের সম্প্রতি বজায় রেখে আমরা যেন বসবাস করতে পারি।

বোয়ালখালী সেনা ক্যাম্পের কমান্ডার মেজর মো: রাসেল জানান,মো: রহিম একজন মানসিক ভারসাম্যহীন। জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে মো: রহিম তার অপরাধের কথা ও মন্দিরে অগ্নিসংযোগ দেওয়ার কথা স্বীকার করে। তবে সে তার এই অপকর্মের কোনো যুক্তিযুক্ত কারণ স্বীকার করেনি।

তিনি আরো জানান, বিষয়টি সঠিকভাবে তদন্ত ও পরবর্তী আইনী প্রক্রিয়ার জন্য আসামীকে বোয়ালখালী থানায় হস্তান্তর করা হয়।

সোমবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৫

আজ শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা

আজ শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা



আজ বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব শুভ ‘প্রবারণা পূর্ণিমা’। এটি ‘আশ্বিনী পূর্ণিমা’ নামেও পরিচিত। আত্মশুদ্ধি অর্জনের মধ্য দিয়ে অশুভকে বর্জন করে সত্য ও সুন্দরকে বরণের আয়োজন এই প্রবারণা।

‘প্রবারণা’ শব্দের অর্থ:‘প্র’ মানে ‘উত্তমভাবে’ এবং ‘বরণা’ মানে ‘বরণ করা’ বা ‘স্বীকার করা’। অর্থাৎ ‘প্রবারণা’ মানে হলো নিজের ভুল বা ত্রুটি স্বীকার করে তা সংশোধনের জন্য প্রতিজ্ঞা গ্রহণ।

ধর্মীয় তাৎপর্য:এই দিনে ভিক্ষুরা একে অপরের কাছে নিজেদের ত্রুটি বা ভুলের কথা স্বীকার করেন এবং পরস্পরের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। এটি আত্মশুদ্ধি, বিনয় ও সাম্যবোধের প্রতীক।প্রবারণা পূর্ণিমা মানুষকে আত্মসংযম, সহনশীলতা, সত্যবাদিতা ও পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ শেখায়। এটি আত্মসমালোচনা ও পরিশুদ্ধ জীবনের আহ্বান জানায়।

প্রবারণার পূর্ণিমার দিন আকাশ প্রদীপ প্রজ্বালন ( ফানুস বাতি ওড়ানো) হয়ে থাকে। কথিত আছে, সিদ্ধার্থ গৌতম গৃহত্যাগ করে অনোমা নদীর পরপারে উপনীত হয়ে সারথী ছন্নকে অশ্ব কন্থক ও শরীরের আভরণাদি প্রদান করে বিদায় দেন। অতঃপর তিনি ভাবলেন, ‘আমার মস্তকে সুবিন্যস্ত কেশকলাপ প্রব্রজিতের পক্ষে শোভনীয় নহে।’ তিনি দক্ষিণ হস্তে অসি এবং বাম হস্তে রাজমুকুটসহ কেশকলাপ ধারণ করে কেটে ঊর্ধ্বদিকে নিক্ষেপ করে সত্যক্রিয়া করেছিলেন, ‘যদি সত্যিই আমি ইহজন্মে মহাজ্ঞান (বুদ্ধত্ব) লাভে সমর্থ হই তাহলে এই মুকুটসহ কেশরাশি ঊর্ধ্বাকাশে উত্থিত হবে।’ তাঁর কেশরাশি আকাশে উত্থিত হলো। তাবতিংশ স্বর্গের দেবগণ কেশরাশি নিয়ে গিয়ে চুলমনি চৈত্য প্রতিষ্ঠা করে পূজা করতে লাগলেন। বৌদ্ধরা বুদ্ধের সেই কেশরাশির প্রতি পূজা ও সম্মান প্রদর্শনের জন্য আশ্বিনী পূর্ণিমায় আকাশ প্রদীপ বা ফানুস বাতি আমরা উড়িয়ে থাকি।আকাশ প্রদীপ যেহেতু বুদ্ধের সেই কেশরাশির প্রতি পূজা ও সম্মান প্রদর্শনের জন্য উড়িয়ে থাকি তাই আমাদের উচিত ধর্মীয় নিয়ম নীতির মাধ্যমে আকাশ প্রদীপ উত্তোলন করা।



শনিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৫

বোয়ালখালীতে বর্ষাবাস-প্রবারণা-ফানুস উৎসব উদ্বোধন

বোয়ালখালীতে বর্ষাবাস-প্রবারণা-ফানুস উৎসব উদ্বোধন


বোয়ালখালীতে উৎসব মুখর ও অসাম্প্রদায়িক চেতনায় বর্ষাবাস-প্রবারণা ও ফানুস উৎসব উদ্বোধন করা হয়েছে। আগামী ৬ অক্টোবর বৌদ্ধদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব প্রবারণা উপলক্ষে বোয়ালখালী সম্মিলিত বর্ষাবাস-প্রবারণা ও ফানুস উৎসব উদযাপন পরিবারের আয়োজনে এ অনুষ্ঠান ৩ অক্টোবর উদযাপন পরিবারের আহবায়ক ও বোয়ালখালী সম্মিলিত বৌদ্ধ পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক বাবু পল্টু কান্তি বড়ুয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন-বোয়ালখালী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও পৌর প্রশাসক জনাব কানিজ ফাতেমা। উপজেলা পরিষদ মিলনায়তন(স্বাধীনতা)য় বোয়ালখালী সম্মিলিত বৌদ্ধ পরিষদের প্রধান প্রতিষ্ঠা উদ্যোক্তা ও সন্মিলিত বর্ষাবাস-প্রবারণা ফানুস উৎসব উদযাপন পরিবারের প্রধান সমন্বয়কারী সাংবাদিক অধীর বড়ুয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এ সভায় মহান অতিথি ছিলেন- গোমদন্ডী সার্বজনীন জ্ঞানোদয় বিহারের অধ্যক্ষ ভদন্ত মুদিতানন্দ থেরো, বৌদ্ধ জ্যোতি আন্তর্জাতিক সংস্থার বাংলাদেশ চাপ্টারের সভাপতি অধ্যাপক প্রকৌশলী মৃণাল কান্তি বড়ুয়া, ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাষ্টি রুবেল বড়ুয়া, দানশীল ব্যক্তি সাধক ডালিম বড়ুয়া, বোয়ালখালী উপজেলা দমকল বাহিনীর ষ্টেশন অফিসার অলক চাকমা, বোয়ালখালী সম্মিলিত বৌদ্ধ পরিষদের সাবেক সভাপতি লায়ন দুলাল কান্তি বড়ুয়া, কধুরখীল সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিশ্বজিৎ বড়ুয়া, বোয়ালখালী সম্মিলিত বৌদ্ধ পরিষদের সিনিয়র সহ সভাপতি সমীরন বড়ুয়া টিটু, সাধারণ সম্পাদক ডাঃ মিহির বরণ বড়ুয়া, বাংলাদেশ বৌদ্ধ যুব পরিষদ বোয়ালখালীর সভাপতি সুমন বড়ুয়া ভুপেল, বিশিষ্ট সংগঠক ব্যাংকার লিটন কুমার বড়ুয়া। 

এসভায় সংবর্ধিত অতিথি ছিলেন- কাতালগঞ্জ নব পন্ডিত বিহারের অধ্যক্ষ প্রফেসর ডঃ উপানন্দ মহাথের( পিএইচডি ডিগ্রী লাভে), শ্রীপুর আদি শাক্যমুনি বিহারের অধ্যক্ষ ভদন্ত পরমানন্দ মহাস্থবির(স্বধর্ম প্রচার ও প্রসারে), কধুরখীল মারজিন বিহারের অধ্যক্ষ দীপানন্দ থেরো( মানবিক বৌদ্ধ ভিক্ষু), শাকপুরা সার্বজনীন তপোধন বিহারের অধ্যক্ষ এম প্রজ্ঞামিত্র থেরো( মাস্টার্সে কৃতিত্ব),মো: ইসমাইল( নবনির্বাচিত সাধারন সম্পাদক- চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি), শিক্ষক মো: ফারুক ইসলাম( গুণি শিক্ষক-বিশ্ব শিক্ষক দিবস'২৫), ডা: ঝুন্টু বড়ুয়া(মানবিক মানুষ- জনপ্রিয় ইত্যাদি অনুষ্ঠান), বাবু অসীম কুমার বড়ুয়া( স্বধর্ম ও সমাজ-সংগঠক,আনোয়ারা), বাবু অদীপ বড়ুয়া( সমাজ ও স্বধর্ম সেবক- চন্দনাইশ), বাবু শ্যামল বিশ্বাস( সভাপতি- বাংলাদেশ পূজা উদযাপন কমিটি, বোয়ালখালী), মো: হাসান চৌধুরী(সফল জনপ্রতিনিধি), বাবু বাবুল জলদাশ( জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ঢোল বাদক), বাবু চানক্য বড়ুয়া( বুদ্ধ কীর্তন শিল্পী), শিক্ষক বিধূভূষন বড়ুয়া(শিক্ষায়),বাবু দুলাল বড়ুয়া( প্রতিষ্ঠাতা-গোমদন্ডী বড়ুয়াপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়), বাবু নীতিপূর্ণ বড়ুয়া( সমাজ-স্বধর্ম), বাবু বোধিসত্ব বড়ুয়া(সমাজ-স্বধর্ম),

বাবু দিপংকর বড়ুয়া( সমাজ-স্বধর্ম), শিক্ষক মৃদুল কান্তি বড়ুয়া( সমাজ-সংগঠন),শিক্ষক পিযুষ কান্তি বড়ুয়া(শিক্ষায়), বাবু সুভাস চন্দ্র বড়ুয়া( সমাজ-স্বধর্ম), বাবু রাস বিহারী বড়ুয়া(সমাজ-স্বধর্মে),বাবু মৃদুল বড়ুয়া(প্রতিষ্ঠাতা সাধারন সম্পাদক-বোয়ালখালী সম্মিলিত বৌদ্ধ পরিষদ), বাবু প্রাণতোষ বড়ুয়া( সাধারন সম্পাদক- বাংলাদেশ বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘ, বোয়ালখালী শাখা), বাবু প্রণব বড়ুয়া পারিজাত( সমাজ-স্বধর্ম), বাবু ঝুন্টু বড়ুয়া(সমাজ-স্বধর্ম), 

বাবু স্বদেশ বড়ুয়া(সমাজ ও সংগঠন),

বাবু জেষু বড়ুয়া চৌধুরী( অর্থ সম্পাদক -বোয়ালখালী সন্মিলিত বৌদ্ধ পরিষদ), বাবু বিকাশ বড়ুয়া, 

) নবনির্বাচিত সভাপতি- বাংলাদেশ বৌদ্ধ ঐক্য ফাউন্ডেশন বোয়ালখালী), বাবু রূপাল বড়ুয়া(নবনির্বাচিত সভাপতি- বাংলাদেশ বৌদ্ধ ঐক্য ফাউন্ডেশন বোয়ালখালী), প্রধান শিক্ষক তরুন বড়ুয়া(শিক্ষায়), শিক্ষক উজ্বল মুৎসুদ্দি( শিক্ষায়), বাবু ছোটন বড়ুয়া(সমাজ ও সংগঠনে), বাবু দেবপ্রিয় বড়ুয়া( সমাজ ও সংগঠক),

বাবু কাজল বড়ুয়া( নবনির্বাচিত সাধারন সম্পাদক- বাংলাদেশ বৌদ্ধ যুব পরিষদ, বোয়ালখালী),

বাবু রূপক বড়ুয়া(সমাজ ও সংগঠন)। 

এতে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- সাংবাদিক আবুল ফজল বাবুল, কীর্তনশিল্পী তাপস বড়ুয়া, কমরেড কাজল বড়ুয়া, এডভোকেট আঁখি বড়ুয়া, শিপিং কর্মকর্তা অমর বড়ুয়া, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব প্রিতম বড়ুয়া, সংগঠক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব রনি চৌধুরী, সমাজরানী কুমারীকা বড়ুয়া, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রাজু আচার্য, ডাঃ প্রভাস চক্রবর্তী, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন কমিটি বোয়ালখালী শাখার সাধারণ সম্পাদক অধীর দে, কণ্ঠশিল্পী প্রকৌশলী রাজীব বড়ুয়া, সমাজ সংগঠক মাইকেল বড়ুয়া, সমাজ ও সংগঠক বিশ্বদ্বীপ বড়ুয়া, সমাজকর্মী বকুল বড়ুয়া, বাবু সৌরভ বড়ুয়া, বোয়ালখালী সম্মিলিত বৌদ্ধ পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাহুল বড়ুয়া, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব শ্যামা প্রসাদ দাশ, ডা: সৌরভ বড়ুয়া মামুন প্রমুখ।

এসভা শেষে ফানুস উৎসব উদ্বোধন উপলক্ষে কেক কেটে উপজেলা চত্বরে কয়েকটি ফানুস উত্তোলন করেন প্রধান অতিথি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও পৌর প্রশাসক কানিজ ফাতেমাসহ উপস্থিত অতিথিবৃন্দ। 

সন্ধ্যা ৭ টায় উপজেলা চত্বরে এ ফানুস উত্তোলন করার সময় বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী সমাজ ও সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ শত শত নারী-পুরুষ ও শিশু উপস্থিত ছিলেন।

শুক্রবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৫

চট্টগ্রামে সম্মিলিত প্রবারণা পূর্ণিমা উপলক্ষে স্বেচ্ছাসেবক কার্ড ও উপহার বিতরণ সম্পন্ন

চট্টগ্রামে সম্মিলিত প্রবারণা পূর্ণিমা উপলক্ষে স্বেচ্ছাসেবক কার্ড ও উপহার বিতরণ সম্পন্ন

 


চট্টগ্রাম: বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব সম্মিলিত প্রবারণা পূর্ণিমা ২০২৫ উদযাপন উপলক্ষে ৭১টি বৌদ্ধ ধর্মীয় সংগঠনের নেতৃবৃন্দের মাঝে স্বেচ্ছাসেবক কার্ড ও উপহার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ২ অক্টোবর চট্টগ্রামের প্রেস ক্লাবে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি'র আহবায়ক আলহাজ্ব এরশাদ উল্লাহ।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধক ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি'র সদস্য সচিব মো: নাজিমুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি'র যুগ্ম আহবায়ক (দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত) শওকত আজম খাজা এবং চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য মোহাম্মদ জাফর।

অনুষ্ঠানে স্বাগত ভাষণ প্রদান করেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বৌদ্ধ ঐক্য ফ্রন্ট এর সাধারণ সম্পাদক রুবেল বড়ুয়া হৃদয়। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন প্রীতম বড়ুয়ার ডালিম।


সম্মিলিত প্রবারণা পূর্ণিমা উৎযাপন কমিটি ২০২৫ইং

আগামী বছরের প্রবারণা পূর্ণিমা উদযাপনের জন্য নিম্নোক্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে:

সভাপতি: শিক্ষা অফিসার (অবঃ) রিটন কুমার বড়ুয়া

সাধারণ সম্পাদক: রোটারিয়ান অমরেশ বড়ুয়া চৌধুরী

প্রধান সমন্বয়কারী: ট্রাষ্টি রুবেল বড়ুয়া হৃদয়

অর্থ সম্পাদক: সুমন বড়ুয়া বাপ্পী

স্বেচ্ছাসেবক প্রধান: প্রকৌশলী রনি বড়ুয়া চৌধুরী

মহিলা স্বেচ্ছাসেবিকা প্রধান: মিস চৈতী বড়ুয়া

কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন:

 * সহ সভাপতিবৃন্দ: ড. সৌমেন বড়ুয়া, মি. শুভাশিস বড়ুয়া শিন্টু, রোটারিয়ান শিমুল কান্তি বড়ুয়া।

 * সহ সম্পাদকবৃন্দ: মি. সন্তু বড়ুয়া, সাংবাদিক রাজু চৌধুরী।

 * সমন্বয়কারী: মি. প্রীতম বড়ুয়া ডালিম।

 * সহ সমন্বয়কারীবৃন্দ: মি. তাপস বড়ুয়া, মি. কমল জ্যোতি বড়ুয়া, মি. দেবাশীষ বড়ুয়া নিরু, মি. সজল বড়ুয়া, মি. সুমন বড়ুয়া, প্রকৌশলী চয়ন বড়ুয়া, মি. জুয়েল বড়ুয়া, মি. সুজন কান্তি বড়ুয়া, মি. শোভন বড়ুয়া।

 * সহ অর্থ সম্পাদক: মি. সৌরভ চৌধুরী।

 * স্বেচ্ছাসেবক উপ-প্রধান: মি. পিয়াল বড়ুয়া রোহান।

 * স্বেচ্ছাসেবক উপ-সহকারী প্রধান বৃন্দ: উদাস বড়ুয়া দোলন, প্রকৌশলী জয়তু বড়ুয়া, অনুপম বড়ুয়া, পিয়াস বড়ুয়া জয়, মি. রুপেশ বড়ুয়া, প্রকৌশলী বিজয় বড়ুয়া, মি. জুয়েল বড়ুয়া।

 * কার্য নির্বাহী সদস্যবৃন্দ: প্রকৌশলী সীমান্ত বড়ুয়া, রোটারিয়ান সজীব বড়ুয়া ডায়মন্ড, মি. অনুকর বড়ুয়া, মি. দিবাকর বড়ুয়া জিংকি, মি. পুলক বড়ুয়া, মি. কল্লোল বড়ুয়া, লায়ন ছোটন বড়ুয়া, মি. সুষেণ বড়ুয়া ছোটন, মি. বনরূপ বড়ুয়া অমি, মি. রূপক বড়ুয়া, মি. সুস্ময় বড়ুয়া, মি. জয় বড়ুয়া, মি. উৎসব বড়ুয়া।

স্বেচ্ছাসেবক বৃন্দ (সংগঠন ও টিম প্রধান):

 * ত্রিরত্ন সংঘ - পুলক বড়ুয়া

 * সীবলী সংসদ - উদাস বড়ুয়া দোলন

 * কন্হক বুড্ডিস্ট ইউনিটি - চন্দন বড়ুয়া

 * সম্যক - রুপস বড়ুয়া রাজু

 * বৌদ্ধ ছায়াঙ্গন - শুভ বড়ুয়া

 * বাংলাদেশ কলেজ ইউনিভার্সিটি - জয় বড়ুয়া

 * বাংলাদেশ বৌদ্ধ মানবিক ব্লাড ব্যাংক - সনজয় বড়ুয়া

 * মঙ্গল সংঘ - পার্থ বড়ুয়া

 * ধর্মচক্র - বিজয় বড়ুয়া

 * আর্য সংঘ - রুদ্র বড়ুয়া

 * নন্দন - উৎসব বড়ুয়া

 * স্বপ্ন সিড়ি যুব সংঘ - সুতিম বড়ুয়া

 * আবির্ভাব - পৃথ্বীরাজ বড়ুয়া

 * অগ্রদূত বৌদ্ধ সংগঠন - সুজয় বড়ুয়া

 * বুদ্ধজ্যোতি সংঘ - হিমেল বড়ুয়া

 * নবদূত - হিমেল বড়ুয়া

 * সম্বুদ্ধ ঐক্য পরিষদ - রকি বড়ুয়া

 * অলৌকিক সংঘ - শুভ বড়ুয়া শিপন

 * আরণ্যক - পূর্ণ বড়ুয়া

 * বুড্ডিস্ট ইউনিটি - রিন্টু বড়ুয়া

 * মহাবোধি মৈত্রীসংঘ - রবিন চৌধুরী রাজদ্বীপ

 * বাংলাদেশ বুড্ডিস্ট কাউন্সিল

 * প্রজ্ঞাসারথী সংঘ - প্রীতিশ বড়ুয়া

 * সীবলী মানবিক ফাউন্ডেশন - রুপক বড়ুয়া

 * মানব কল্যাণ ধম্মকথা - অন্তু বড়ুয়া

 * অংকুর - অন্তু বড়ুয়া অরুপ

 * ছন্দক - শরন বড়ুয়া

 * সারনাথ - ময়ুখ বড়ুয়া

 * মৈত্রী মানবিক সংগঠন - সোহাগ বড়ুয়া

 * আর্যমিএ বৌদ্ধ সংগঠন - ঈশান বড়ুয়া


সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

আজ ২৯ সেপ্টেম্বর রামু ট্রাজেডির ১৩ বছর

আজ ২৯ সেপ্টেম্বর রামু ট্রাজেডির ১৩ বছর

 


কক্সবাজারের রামু ট্রাজেডির ১৩ বছর পূর্ণ হয়েছে আজ। ফেসবুকে গুজবের জেরে ২০১২ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর রাতে রামুর বৌদ্ধ বিহার ও বসতিতে হামলা, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগে ১৯টি মামলা হয়। তবে এখনো সাক্ষীর অভাবে গতিহীন হয়ে পড়েছে ১৮টি মামলার বিচার কাজ। 

জানা গেছে, ২০১২ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর উত্তম বড়ুয়া নামের এক বৌদ্ধ যুবকের ফেসবুকে পবিত্র কোরআন অবমাননার একটি ছবি ট্যাগকে কেন্দ্র করে রামুতে সংঘটিত হয় ভয়াবহ ঘটনা। পরে রাতের অন্ধকারে রামুতে ১২টি বৌদ্ধ বিহার, ৩০টি বসতঘরে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করে দুস্কৃতিকারীরা। ৩০ সেপ্টেম্বর রাতে একইভাবে উখিয়া ও টেকনাফে আরও ৭টি বৌদ্ধ বিহার ও ১১টি বসতঘরে হামলা ও অগ্নিসংযোগ করে দুর্বৃত্তরা।

রামু, উখিয়া ও টেকনাফে সহিংসতার ঘটনায় ১৯টি মামলা হয়। এতে এজাহারভুক্ত ৩৭৫ জনসহ ১৫ হাজার ১৮২ জনকে অভিযুক্ত করা হয়। পরে আপোসের ভিত্তিতে একটি মামলা প্রত্যাহার হলেও বাকি ১৮ মামলা সাক্ষীর অভাবে নিষ্পত্তি হয়নি এখনো। মামলার সাক্ষীরা সাক্ষ্য দিতে না চাওয়ায় মামলা নিষ্পত্তিতে দেরি হচ্ছে বলে জানান কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী।

বুদ্ধিস্ট সোশ্যাল মুভমেন্ট এর সংগঠক এডভোকেট সিপ্ত বড়ুয়া জানান, শুধুমাত্র রামু'র বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের লোকজন সাক্ষ্য দিচ্ছেনা এই অজুহাতে হামলার ঘটনা হওয়া মামলাগুলো স্থবির হয়ে আছে। অথচ, রাষ্ট্র চাইলে সে সময়কার হামলার ঘটনায় ছবি-ভিডিও যাচাই করে সাক্ষ্য হিসেবে মান্য করে বিচার করা যায়। বিচারহীনতার মধ্য দিয়ে জাতিগত জনগোষ্ঠী নিধনের যে সুপরিকল্পিত পরিকল্পনা সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলো করে যাচ্ছে তারা আবারো হামলা করার পরিকল্পনার চাল চালবে তাতে কোন সন্দেহ নাই।

কক্সবাজার বৌদ্ধ সুরক্ষা পরিষদের সভাপতি, রামু কেন্দ্রীয় সীমা মহাবিহারের ভিক্ষু প্রজ্ঞানন্দ মহাথেরো বলেন, রামুর ধর্মীয় সম্প্রীতিতে যারা আঘাত হেনেছিল তারা সফল হয়নি। যে ক্ষতের তৈরি হয়েছিলো, ১২ বছরে আমরা সবাই মিলে তা অনেকটাই কাটিয়ে উঠেছি। তবে দুঃখের বিষয় হলো হামলার একযুগ পার হলেও ওই ঘটনার হামলাকারীদের পরিচয় এখনো অজানাই রয়ে গেছে।

রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

রামুতে বৌদ্ধ ভিক্ষুর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

রামুতে বৌদ্ধ ভিক্ষুর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

কক্সবাজারের রামুতে একটি বৌদ্ধ বিহার থেকে এক ভিক্ষুর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের শ্রীকুল পুরাতন রাখাইন বৌদ্ধ বিহার থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।নিহত ভিক্ষুর নাম থুই নু মং মারমা, বৌদ্ধ নাম কিমা চারা (২২)। তিনি রাঙামাটির কাউখালী উপজেলার দাপুয়া গ্রামের মং শিপ্রু মারমার ছেলে।রামু থানা পুলিশের ওসি (তদন্ত) মোহাম্মদ ফরিদ বলেন, স্থানীয়রা সকালে বিহারের ভেতরে ভিক্ষুর ঝুলন্ত মরদেহ দেখে পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে। স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে- ওই ভিক্ষু আত্মহত্যা করেছেন।মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে তদন্ত চলছে জানিয়ে এই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ফ্রিজিং করে রাখা হবে। নিহতের পরিবারের সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে

মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

ঢাকার মহাখালীতে কর্মস্থলে যাওয়ার পথে ট্রেনে কাটা পড়ে কক্সবাজারের উষা বড়ুয়া নিহত

ঢাকার মহাখালীতে কর্মস্থলে যাওয়ার পথে ট্রেনে কাটা পড়ে কক্সবাজারের উষা বড়ুয়া নিহত

 


রাজধানীর মহাখালীতে রেল ক্রসিং পার হওয়ার সময় ট্রেনে কাটা পড়ে উষা বড়ুয়া নামে এক নারী নিহত হয়েছে। বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর ) সকালে ঊষা বড়ুয়া ঢাকা মহাখালীতে নিজ কর্মস্থলে যাওয়ায় সময় এই ঘটনা হয়।

ঢাকার দুর্ঘটনাস্থলের প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে স্বজনেরা জানান, সকালে উষা কর্মস্থলে যাচ্ছিলেন। কানে হেডফোন লাগিয়ে রেললাইন পার হওয়ার সময় অসচেতনতার কারণে তিনি ট্রেনে কাটা পড়েন।

নিহত উষা বড়ুয়া কক্সবাজারের রামু কেন্দ্রীয় সীমা মহাবিহার সংলগ্ন পশ্চিম মেরংলোয়ার রতন বড়ুয়ার মেয়ে বলে জানা যায়।উষা ঢাকায় আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য গবেষণা সংস্থা আইসিডিডিআর,বিতে ফিল্ড রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এক বছর আগে তিনি সেখানে যোগ দেন। এর আগে তিনি উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে চাকরি করতেন।

বান্দরবানের ঘুমধুমে সৎ ভাইয়ের ছু’রি’কা’ঘা’তে ছোট ভাই সোহেল বড়ুয়া খু’ন

বান্দরবানের ঘুমধুমে সৎ ভাইয়ের ছু’রি’কা’ঘা’তে ছোট ভাই সোহেল বড়ুয়া খু’ন

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ১নং উত্তর ঘুমধুম ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড বড়ুয়া পাড়ায় পারিবারিক বিরোধের জেরে বড় ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে ছোট ভাই নিহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহতের নাম সুকল বড়ুয়া (২৫)। অভিযুক্ত বড় ভাইয়ের নাম সুপন বড়ুয়া (৩২) বলে জানা গেছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতে সুপন বড়ুয়া নিজ বাড়িতে এসে তার মায়ের সঙ্গে মারধরের চেষ্টা করলে ছোট ভাই সুকল বড়ুয়া বাধা দেন। এসময় দুই ভাইয়ের মধ্যে বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতি শুরু হয়। পরে এলাকাবাসী মীমাংসার চেষ্টা করলেও এক পর্যায়ে উত্তেজিত হয়ে সুপন বড়ুয়া ছুরিকাঘাত করে সুকল বড়ুয়াকে গুরুতর আহত করেন। দ্রুত তাকে কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার খবর পেয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি পুলিশ পাড়ি ফাঁড়ির ইনচার্জ জাফরুল্লাহ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্ত সুপন বড়ুয়াকে আটক করেন।পলিশ জানায়, রাত ৮টা ৫৫ মিনিটের দিকে হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটে। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।